সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

রিতা রায় মিঠু

লক্ষ্মীপূজোর নাড়ু দেশে বাবাকে ফোন করেছিলাম। আমার মায়ের ফোনটা এখন বাবা ব্যবহার করেন। প্রথমবার ডায়াল করতে সাত আটটি রিং হয়ে ফোন থেমে গেল। কী ব্যাপার! বাবা কেনো ফোন ধরলেন না , মনে একটু ভয় ধরে গেল। তবে কি বাবা অসুস্থ ?  সম্প্রতি মা মারা যাওয়ার পর এই ব্যাপারটা খুব বেশী করে মনে হয়। মা বেঁচে থাকতে ফোন করে মায়ের সাথেই কথা বলতাম , বাবার সাথে কথা বলতাম নববর্ষ , পূজা , জন্মদিন , বিবাহ বার্ষিকীতে। বাবার বয়স হয়েছে , মোবাইল ফোনের সাউন্ড খুবই কম মনে হয় উনার কাছে , আমরা কথা বলে যাই , আর উনি শুধু ' হ্যালো ' হ্যালো ' করতে থাকেন। দু তরফেই বিরক্তির মাত্রা বাড়তে থাকে বলে বাবার সাথে কথা না বলে মায়ের কাছ থেকে সমস্ত সংবাদ জেনে নিতাম। এখনতো আর মা নেই , বাবার খোঁ জ বাবার কাছ থেকেই নিতে হবে। সেজন্যই বাবা ফোন না ধরায় মনটা কেমন করে উঠেছে। মাথায় আসেনি , বাবা তো ফোনের রিং শুনতে পান নি। ব্যাকুল হয়ে ভাইয়ের নাম্বারে কল দিতেই জানতে পারলাম , বাবা ভাল আছেন। ভাইয়ের ফোন হাতে নিয়েই বাবা বললেন , ' হ্যালো '!

রিতা রায় মিঠু

সেদিন সন্ধ্যায় যা ঘটেছিল ২৮শে ফেব্রুয়ারী ছিল হিমাংশু ও মিত্রার দশম বিবাহবার্ষিকী।   দিনটি ছিল মঙ্গলবার , তাই কারোরই ছুটি ছিলোনা।   প্রবাসে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সামাজিক অনুষ্ঠানগুলো সপ্তাহের শনিবার বা রবিবার উদযাপন করা হয়ে থাকে , নাহলে শুক্রবার সন্ধ্যাটিও মন্দ হয়না।   আমরা সবাই মিলে মিশে ঠিক করেছিলাম মিত্রা - হিমাংশুর দশম বিবাহ বার্ষিকী উদযাপন করবো ৯ই মার্চ , শুক্রবার সন্ধ্যাতে।